IF WE WANT
TO EXPLAIN THE KURAN SCIENTIFICALLY FIRST WE NEED
TO WRITE ABOUT THE CONSERVATION OF THE HOLY KURAN.BECAUSE THE CONSERVATION
METHOD OF KURAN WAS ALSO A REALLY SCIENTIFIC METHOD FOR CONSERVING ANY BOOK OR
WRITING.
WHEN
ANY SURA(THE WORD OF ALLAH) CAME TO THE PROPHET(Sm) HE MEMORISED IT
INSTANTLY.EVEN ALL THE LOWYAL FOLLOWERS WHO WERE WITH HIM ALSO MEMORISED
THEM.AND FROM THAT TIME THE CUSTOM OF BEING A HAFIZ WAS STARTED.IN BANGLADESH
THERE ARE MANY HAFIZ WHO CAN SAY THE WORDS OF KURAN WITHOUT ANY PROBLEM THOUGH
ARABIC IS NOT THERE MOTHER LANGUAGE!EVEN IN VILLAGES MANY PEOPLE COULD READ
KURAN WHO COULD NOT EVEN READ THEIR OWN MOTHER LANGUAGE BANGLA !!AND FOR AROBS
MEMORISING KURAN WAS EVEN EASIER COZ ARABIC WAS THEIR MOTHER LANGUAGE.BESIDES
GENETICALLY THE AROBS HAD A VERY SHARP MEMORY.
IF WE
ANALYZE THE WORDS OF KURAN WE WILL SEE THAT IN KURAN IT HAS BEEN SAID MANY
TIMES TO WRITE KURAN DOWN.IT’S CLEAR THAT BEFORE THE PROPHET(Sm) MIGRATED FROM
MOKKA TO MADINA ALL THE LINES OF KURAN WERE WROTE DOWN WHICH CAME TO HIM BEFORE
MIGRATION.IN THE YEAR 622 THE PROPHET(Sm) LEFT MOKKA.BUT BEFORE THAT IT HAS
BEEN SAID IN 4 SURAS THAT KURAN WAS BEING WRITTEN.
ONE OF THOSE
SURAS IS GIVEN BELLOW :
“NAVER.IT IS TRUALLY THE WORD OF BLESSING
SO LET THEM REMEMBER WHO WISHES IT
IT IS WRITTEN IN SUCH PAGE
WHICH IS HONOURED,GREAT,GREATLY HOLY”
(SURA : 80, SENTENCE : 11-16)
SO LET THEM REMEMBER WHO WISHES IT
IT IS WRITTEN IN SUCH PAGE
WHICH IS HONOURED,GREAT,GREATLY HOLY”
(SURA : 80, SENTENCE : 11-16)
ALLAMA YOUSUF WROTE THAT , BEFORE THIS SURA CAME 42-45 SURAS WAS WRITTEN & THOSE WRITINGS WARE CONSERVED TO THE MUSLIMS OF MOKKA. (TO BE CONTINUED)
[INFO SOURCE : SECONDERY ISLAM SHIKSHA(BD), BIBLE QURAN & SCIENCE;WRITER-DR. MAURICE BUCAILLE]
(IF THERE WAS ANYTHING WRONG WITH MY ENGLISH WRITING THEN PLEASE KINDLY FORGIVE ME)
TRANSLATION(অনুবাদ) :
আমরা যদি
কুরআনকে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করি তাহলে প্রথমেই এর সংরক্ষণ
পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করতে হবে।কারণ পবিত্র কুরআন এর সংরক্ষণ পদ্ধতি হল যেকোনো
বই বা লেখা সংরক্ষণের সত্যিকার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।যখনি মহানবীর নিকট কোন সুরা নাযিল হত তখনি তিনি সেটা মুখস্থ করে ফেলতেন।তাঁর সাথে যেসকল বিশ্বাসী সাহাবী ছিল তারাও কুরআন মুখস্থ করার অভ্যাস করে নেয়।এবং তখন থেকেই কুরআন এ হাফেয হবার প্রথা চালু হয়।বাংলাদেশেও বর্তমানে অনেক হাফিয আছেন যারা কুরআন শরিফ কোন ভুলচুক ছাড়াই মুখস্থ গড়গড় করে বলে দিতে পারবে যদিও আরবি তাদের ভাষা নয়!এমনকি গ্রামে এমন অনেকে আছে যারা বাংলা পড়তে পারে না কিন্তু কুরআন শরীফ দেখে পড়তে পারে!!আর আরবদের পক্ষে তো কুরআন মুখস্থ করাটা ছিল আরও সহজ যেহেতু এটা ছিল তাদের মাত্রিভাষা।আর তাছাড়াও বংশগতভাবেই আরবরা ছিল তীক্ষ্ণ স্মৃতি শক্তির অধিকারী ।
কুরআনের বানিসমূহও যদি বিশ্লেষণ করে দেখা হয় তাহলে দেখা যাবে যে কুরআন এ বহুবার কুরআনকে লিপিবদ্ধ করে রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।একথা স্পষ্ট যে মহানবী মক্কা থেকে মদিনা গমনের বহু আগেই হিজরতের পূর্ববর্তী সকল বানী লিপিবদ্ধ করে রাখেন ।
হিজরত এর পুর্বে ৬২২ খৃষ্টাব্দে মহানবী মক্কাত্যাগ এর পুর্বে অবতীর্ণ চারটি সূরায় কুরআন যে লিখিত আকারে সংরক্ষিত হচ্ছিল তার উল্লেখ রয়েছে।
এরকম
একটি সুরা নিম্নরূপ :
“ কখনো না।ইহা সত্যই হেদায়েত এর বানী
সুতরাং যার ইচ্ছা ইহা মনে রাখুক
ইহা এমন একটি পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধ
যাহা সম্মানিত,মহাউন্নত,মহা পবিত্র ”
সুতরাং যার ইচ্ছা ইহা মনে রাখুক
ইহা এমন একটি পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধ
যাহা সম্মানিত,মহাউন্নত,মহা পবিত্র ”
(সুরা : ৮০,আয়াত ১১-১৬)
আল্লামা ইউসুফ আলী তাঁর তফসিরের টিকায় লিখেছেন , যখন এই সুরা নাযিল হয়,তার আগ পর্যন্ত মক্কায় অবতীর্ণ মোট ৪২-৪৫ টি সুরা লিপিবদ্ধ করা হয়েছিলো এবং সেইসব লিপি মক্কার মুসলমানদের নিকট সংরক্ষিত ছিল। (চলবে)
[তথ্যসূত্র :মাধ্যমিক ইসলাম শিক্ষা, বাইবেল কুরআন ও বিজ্ঞান;লেখক-ড. মরিস বূকাইলি]
আল্লামা ইউসুফ আলী তাঁর তফসিরের টিকায় লিখেছেন , যখন এই সুরা নাযিল হয়,তার আগ পর্যন্ত মক্কায় অবতীর্ণ মোট ৪২-৪৫ টি সুরা লিপিবদ্ধ করা হয়েছিলো এবং সেইসব লিপি মক্কার মুসলমানদের নিকট সংরক্ষিত ছিল। (চলবে)
[তথ্যসূত্র :মাধ্যমিক ইসলাম শিক্ষা, বাইবেল কুরআন ও বিজ্ঞান;লেখক-ড. মরিস বূকাইলি]
No comments:
Post a Comment