PROFESSOR
HAMIDULLAH WROTE ABOUT THE EVENTS OF
QURAN WRITING IN A FINE DISCREPTION LIKE THIS :
“EVERY ONE HAS AGREED ON THIS EVENT THAT,WHENEVER ANY VERSES OF QURAN CAME TO THE PROPHET(Sm) HE CALLED ANY OF HIS EDUCATED FOLLOWERS AND TOLD HIM TO WRITE THE VERSES OF QURAN.HE ALSO TOLD THEM HOW TO MAINTAIN THE SEQUENCE OF THOSE VERSES…………………………….IT HAS BEEN DESCRIBED THAT, AFTER WRITING IT MUHAMMED(Sm) ASKED THE WRITER TO READ THE RECENTLY WRITTEN VERSES OF THE QURAN SO THAT IF THERE WAS ANYTHING WRONG WITH IT THE PROBLEM CAN BE FIXED……………………………… IT HAS ALSO BEEN DESCRIBED THAT , IN EVERY ROMADAN/ROMJAN MONTH THE JIBRAIL(A: ) LISTNED TO THE PROPHETS(Sm) QURAN READING……………………………. THE JIBRAIL (A: ) LISTNED TO THE PROPHETS(Sm) QURAN READINGS TWICE IN THE YEAR HE DIED…………………………. AND EVERY ONE KNOWS THAT AFTER MUHAMMEDS(Sm) DEATH THE MUSLIMS PREPARES TO FINISHE READING THE QURAN WITH SUCH ENERGY AND ENCOURAGEMENT EVERY YEAR.AND IN ADDITION TO THAT IN SALAT/NAMAJ(PRAYING OF MUSLIMS) THERE EVERYONE MUST READ SOME SURA OR A LITTLE PART OF THE HOLY QURAN FROM THEIR MEMORY.FROM DIFFERENT SOURCES IT IS KNOWN THAT ,IN THE MEETING OF PUBLISHING THE QURAN COMPLETELY AND PERFECTLY MUHAMMEDS(Sm) MAIN QURAN WRITER JAID IBNE SABIT WAS PRESENT.IN OTHER DESCRIPTIONS IT IS WE CAN ALSO SEE THAT THERE WERE OTHER FAMOUS FOLLOWERS OF MUHAMMED(Sm) PRESENT IN THAT MEETING TOO.”
[INFO SOURCE : BAIBEL KURAN & SCIENCE;WRITER – Dr. MAURICE BUCAILLE]
[IF THERE WAS ANY PROBLEM IN MY ENGLISH WRITING THEN PLEASE KINDLY FORGIVE ME]
TRANSLATION(অনুবাদ ) :
প্রফেসর হামিদুল্লাহ তাঁর ফরাসি ভাষায় অনূদিত কুরআনের ভুমিকা লিখতে গিয়ে সেখানে মুহাম্মদের (সঃ)মৃত্যুকাল পর্যন্ত কুরআনের অবতীর্ণ আয়াতসমূহ লিপিবদ্ধ করার ঘটনাবলীর এক চমৎকার বিবরণ পেশ করেন এভাবে :
“এই বিষয়ে সবাই একমত যে,যখনি হজরতের(স)উপরে কুরআনের কোন আয়াত নাযিল হত,তখনই তিনি তাঁর সাহাবীদের মদ্ধকার শিক্ষিত কাউকে ডেকে নিতেন এবং অবতীর্ণ আয়াতসমূহ লিখে নেওয়ার নির্দেশ দিতেন।শুধু তাই নয়,অবতীর্ণ আয়াতসমূহ এ যাবতকাল প্রাপ্ত কুরআনের কোন স্থানে লিপিবদ্ধ করতে হবে,সঠিকভাবে তারও নির্দেশ দিতেন।…………..বর্ণিত আছে,লেখা হওয়ার পর মুহাম্মদ(সঃ)ওই লিপিকারকে সদ্য লিপিবদ্ধ আয়াতসমূহ পড়ে শোনাতে বলতেন-উদ্দেশ্য,যদি লেখায় কোথাও ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে-তা সংশোধন করা।………………..এই বর্ণনাও প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে যে,প্রতি রমজান মাসে হজরত(সঃ)কুরআনের (এ যাবতকালে প্রাপ্ত)পুরটাই জিবরাঈলকে(আঃ) তেলাওয়াত করে শোনাতেন।…………………….যে বছর মহানবী ইন্তিকাল করেন,সে বছরের রমজান মাসে জিবরাঈল(আঃ)হজরতের(স)মুখ থেকে পুরা কুরআন দু-দুবার করে শুনে নিয়েছিলেন।…………………………………হজরতের(স)ইন্তিকালের পর থেকেই মুসলমানেরা কি বিপুল উৎসাহ-উদ্দিপনা সহকারে পুরা কুরআন খতম করার জন্য যে প্রস্ততি নিয়ে থাকেন সে কথা কারও অজানা নেই।সেই সাথে প্রতি নামাজে কুরআনের কোন না কোন সুরা তিলাওয়াতের বিধান তো রয়েছেই।বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত বিবরণীতে এও দেখা যায় যে,সম্পূর্ণ কুরআন চূড়ান্তভাবে শঙ্কলনের বৈঠকে মুহাম্মদের(সঃ)নিয়োজিত সেই অহি-লেখক জায়েদ ইবনে সাবিত হাজির ছিলেন।সেই বৈঠকে আরও অনেক খ্যাতনামা ব্যাক্তির(সাহাবীর)উপস্থিতির কথাও অপরাপর বিবরণীতে দেখতে পাওয়া যায়।”
“EVERY ONE HAS AGREED ON THIS EVENT THAT,WHENEVER ANY VERSES OF QURAN CAME TO THE PROPHET(Sm) HE CALLED ANY OF HIS EDUCATED FOLLOWERS AND TOLD HIM TO WRITE THE VERSES OF QURAN.HE ALSO TOLD THEM HOW TO MAINTAIN THE SEQUENCE OF THOSE VERSES…………………………….IT HAS BEEN DESCRIBED THAT, AFTER WRITING IT MUHAMMED(Sm) ASKED THE WRITER TO READ THE RECENTLY WRITTEN VERSES OF THE QURAN SO THAT IF THERE WAS ANYTHING WRONG WITH IT THE PROBLEM CAN BE FIXED……………………………… IT HAS ALSO BEEN DESCRIBED THAT , IN EVERY ROMADAN/ROMJAN MONTH THE JIBRAIL(A: ) LISTNED TO THE PROPHETS(Sm) QURAN READING……………………………. THE JIBRAIL (A: ) LISTNED TO THE PROPHETS(Sm) QURAN READINGS TWICE IN THE YEAR HE DIED…………………………. AND EVERY ONE KNOWS THAT AFTER MUHAMMEDS(Sm) DEATH THE MUSLIMS PREPARES TO FINISHE READING THE QURAN WITH SUCH ENERGY AND ENCOURAGEMENT EVERY YEAR.AND IN ADDITION TO THAT IN SALAT/NAMAJ(PRAYING OF MUSLIMS) THERE EVERYONE MUST READ SOME SURA OR A LITTLE PART OF THE HOLY QURAN FROM THEIR MEMORY.FROM DIFFERENT SOURCES IT IS KNOWN THAT ,IN THE MEETING OF PUBLISHING THE QURAN COMPLETELY AND PERFECTLY MUHAMMEDS(Sm) MAIN QURAN WRITER JAID IBNE SABIT WAS PRESENT.IN OTHER DESCRIPTIONS IT IS WE CAN ALSO SEE THAT THERE WERE OTHER FAMOUS FOLLOWERS OF MUHAMMED(Sm) PRESENT IN THAT MEETING TOO.”
[INFO SOURCE : BAIBEL KURAN & SCIENCE;WRITER – Dr. MAURICE BUCAILLE]
[IF THERE WAS ANY PROBLEM IN MY ENGLISH WRITING THEN PLEASE KINDLY FORGIVE ME]
TRANSLATION(অনুবাদ ) :
প্রফেসর হামিদুল্লাহ তাঁর ফরাসি ভাষায় অনূদিত কুরআনের ভুমিকা লিখতে গিয়ে সেখানে মুহাম্মদের (সঃ)মৃত্যুকাল পর্যন্ত কুরআনের অবতীর্ণ আয়াতসমূহ লিপিবদ্ধ করার ঘটনাবলীর এক চমৎকার বিবরণ পেশ করেন এভাবে :
“এই বিষয়ে সবাই একমত যে,যখনি হজরতের(স)উপরে কুরআনের কোন আয়াত নাযিল হত,তখনই তিনি তাঁর সাহাবীদের মদ্ধকার শিক্ষিত কাউকে ডেকে নিতেন এবং অবতীর্ণ আয়াতসমূহ লিখে নেওয়ার নির্দেশ দিতেন।শুধু তাই নয়,অবতীর্ণ আয়াতসমূহ এ যাবতকাল প্রাপ্ত কুরআনের কোন স্থানে লিপিবদ্ধ করতে হবে,সঠিকভাবে তারও নির্দেশ দিতেন।…………..বর্ণিত আছে,লেখা হওয়ার পর মুহাম্মদ(সঃ)ওই লিপিকারকে সদ্য লিপিবদ্ধ আয়াতসমূহ পড়ে শোনাতে বলতেন-উদ্দেশ্য,যদি লেখায় কোথাও ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে-তা সংশোধন করা।………………..এই বর্ণনাও প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে যে,প্রতি রমজান মাসে হজরত(সঃ)কুরআনের (এ যাবতকালে প্রাপ্ত)পুরটাই জিবরাঈলকে(আঃ) তেলাওয়াত করে শোনাতেন।…………………….যে বছর মহানবী ইন্তিকাল করেন,সে বছরের রমজান মাসে জিবরাঈল(আঃ)হজরতের(স)মুখ থেকে পুরা কুরআন দু-দুবার করে শুনে নিয়েছিলেন।…………………………………হজরতের(স)ইন্তিকালের পর থেকেই মুসলমানেরা কি বিপুল উৎসাহ-উদ্দিপনা সহকারে পুরা কুরআন খতম করার জন্য যে প্রস্ততি নিয়ে থাকেন সে কথা কারও অজানা নেই।সেই সাথে প্রতি নামাজে কুরআনের কোন না কোন সুরা তিলাওয়াতের বিধান তো রয়েছেই।বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত বিবরণীতে এও দেখা যায় যে,সম্পূর্ণ কুরআন চূড়ান্তভাবে শঙ্কলনের বৈঠকে মুহাম্মদের(সঃ)নিয়োজিত সেই অহি-লেখক জায়েদ ইবনে সাবিত হাজির ছিলেন।সেই বৈঠকে আরও অনেক খ্যাতনামা ব্যাক্তির(সাহাবীর)উপস্থিতির কথাও অপরাপর বিবরণীতে দেখতে পাওয়া যায়।”
No comments:
Post a Comment