Wednesday, 21 March 2012

MOTION OF THE SUN PART 1 (সূর্যের গতি ১ম খণ্ড) :



SURA(SPEECH OF THE CREATOR ALLAH) IBRAHIM(14) ; SENTENCE – 33 :

“FOR YOU ( ALLAH ) SUBORDINATED THE SUN AND MOON 
,-THEY ARE MOVING IN THEIR OWN ORBIT; AND FOR YOU HE SUBORDINATED NIGHT AND DAY.”

EXPLANATION

FROM THE ABOVE SENTENCE OF QURAN WE CAN SEE THAT IT’S TELLING ABOUT MOTION OF THE SUN & THE MOON.IN THIS SENTENCE IT HAS BEEN SAID THAT THE GREAT ALLAH(THE CREATOR) SUBORDINATED THE SUN & MOON UNDER SOME CERTAIN RULES SO THAT WE CAN BE BENIFITED FROM IT.IT HAS ALSO BEEN SAID IN THIS SENTENCE THAT THE SUN & MOON ARE MOVING IN THEIR OWN ORBIT. THERE IS NO DOUBT ABOUT THE ROTATION OF THE MOON.THE PROBLEM IS ABOUT ROTATION OF THE SUN.FOR MANY MANY YEARS THE PHILOSOPHERS & SCIENTISTS OF EUROPE BELIVED THAT THAT THE EARTH STOOD STILL ON THE CENTER OF THE UNIVERSE AND THE SUN & EVERY OTHER PLANETS & STARS ARE ROTATING . IN THE 2ND CENTURY BC FROM THE AGE OF TOLEMI IT HAS BEEN KNOWN TO ALL THAT EARTH IS THE CENTER OF THE UNIVERSE.IN 1512 NICOLAS COPARNICAS ANNOUNCED IN HIS SUN BASED THEORY THAT THE SUN IS STILL IN THE CENTER OF THE UNIVERSE AND THE EARTH AND THE OTHER PLANETS ARE ROTATING.IN 1609 THE JARMAN SCIENTIST KEPLAR PUBLISHED A BOOK NAMED ‘ASTRONOMIA NOVA’. IN THIS BOOK HE SAID THAT THE PLANETS NOT ONLY ROTATE AROUND THE SUN IN AN OVEL SHAPED ORBIT , BUT THE PLANETS ALSO ROTATE IN THEIR OWN AXIS. WITH THIS KNOWLEDGE THE EUROPIAN SCIENTISTS WERE ABLE TO  EXPLAIN MANY PHENOMENAS OF THE SOLAR SYSTEM. BUT STILL IT WAS BELIVED THAT THE SUN IS STANDING STILL IN THE CENTER OF THE SOLAR SYSTEM. IN THE LATER DAYS THE MODERN SCIENCE DISCOVERED THAT THE SUN NOT ONLY ROTATE IN IT’S OWN AXIS BUT IT ALSO HAS A ORBIT OF IT’S OWN WHERE IT MOVES. THE SUN COMPLETES A TURN WITHIN 25 DAYS. THE SUN TRAVELS THROUGH THE SPACE 240 KM PER SECOND.IT TAKES APPROXIMATELY 200 MILLION YEARS TO COMPLETE A FULL ROTATION AROUND THE CENTER OF OUR GALAXY MILKIWAY.


[INFO SOURCE : BAIBEL QURAN & SCIENCE ; WRITER – Dr. MAURICE BUCAILLE , Dr. JAKIR NAYEK’S LECTURE VOLUME PART – 1 , ILLUSTRATED FAMILY ENCYCLOPEDIA]
(IF THERE WAS ANY PROBLEM IN MY ENGLISH WRITING THEN PLEASE KINDLY FORGIVE ME)
TRANSLATION (অনুবাদ) :


সূরা ইবরাহীম(১৪)
; আয়াত ৩৩ :

“তোমাদের জন্য (আল্লাহ্) অধিনস্থ করিয়াছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে, উহারা শ্রান্তিহীনভাবে চলিতেছে আপন আপন কক্ষপথে; এবং তোমাদের জন্য তিনিই অধীনস্থ করিয়াছেন রাত্রি  দিবসকে   
 
ব্যাখ্যা :

উপরোক্ত আয়াতটি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে এখানে সূর্য ও চন্দ্রের গতিপথের ব্যাপারে বলা হয়েছে । এই আয়াতটিতে বলা হয়েছে যে মহান আল্লাহ্‌ তাআলা আমাদের সুবিধার জন্যই সূর্য ও চন্দ্রকে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনস্থ করে দেন যাতে করে আমরা এগুলো থেকে সুবিধা পেতে পারি  এবং এই আয়াতে এটাও বলা হয়েছে যে সূর্য ও চন্দ্র তাদের আপন আপন কক্ষপথে বিচরন করছে । চন্দ্রের আবর্তনের ব্যাপারে তো কারও কোন সন্দেহ নেই । সমস্যা হল সূর্যের আবর্তনের ব্যাপারে । দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপীয় দার্শনিক ও বিজ্ঞানিরা বিশ্বাস করতো যে , পৃথিবী মহাবিশ্বের কেন্দ্রে সম্পূর্ণ স্থির এবং সূর্য সহ সকল গ্রহ পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে । খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতাব্দীতে টলেমীর যুগ থেকে মহাবিশ্বের এ ভূকেন্দ্রিক ধারনা ব্যাপকভাবে সত্য হিসেবে প্রচলিত ছিল । ১৫১২ সালে নিকলাস কোপার্নিকাস তাঁর সূর্য কেন্দ্রিক গ্রহসংক্রান্ত গতিতত্ত্বে প্রচার করেন যে সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে স্থির এবং গ্রহগুলো তার চারপাশে ঘূর্ণায়মান । 
১৬০৯ সালে জার্মান বিজ্ঞানী কেপলার
  ‘ASTRONOMIA NOVA’ নামে একটি বই প্রকাশ করেন । এই বইটিতে তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছিলেন যে , শুধুমাত্র গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে ডিম্বাকৃতির কক্ষপথে পরিভ্রমন করে না , বরং গ্রহগুলো তাদের নিজস্ব অক্ষে অসম গতিতে আবর্তন করে । এই জ্ঞানের ফলে ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের পক্ষে রাত্রি ও দিনের অনুক্রমসহ সৌরজগতের অনেক ব্যাপার সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছে । কিন্তু এর পরও বিশ্বাস করা হতো যে সূর্য স্থির এবং এটি পৃথিবীর মত নিজস্ব কক্ষপথ আবর্তন করে না । পরবর্তীতে আধুনিক বিজ্ঞান এটা আবিষ্কার করে যে সূর্য শুধু নিজ অক্ষে আবর্তনই করে না বরং এর একটি কক্ষ পথও আছে যে কক্ষপথে সূর্য বিচরন করে  সূর্য প্রতি ২৫ দিনে একটি আবর্তন সম্পন্ন করে । সূর্য প্রায় ২৪০ কিঃমি/সে গতিতে মহাশুন্নের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করে এবং আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রের চতুর্দিকে একটি পূর্ণ ঘূর্ণন সম্পন্ন করতে এর প্রায় ২০০ মিলিওন বছর সময় লাগে  

No comments:

Post a Comment